January 20, 2018

শুভ নববর্ষ ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ

IMG_1549 মোঃ জহিরুল ইসলাম : ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ বিদায়, নতুনের উদ্দীপনা দিয়ে শুরু হল ২০১৮ খ্রীস্টাব্দ। খ্রীষ্টাব্দ কবে থেকে শুরু হয়েছিল তা অনেকেরই অজানা, হযরত ঈসা (আঃ) এর যখন জন্ম হয় তখন থেকে খ্রীষ্টাব্দ সাল শুরু হয়, সেই সূত্র ধরে শুভ সূচনা হল ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দের। আমরা যে, খ্রীষ্টাব্দ বা ইংরেজী বর্ষ পালন করি তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এর কিন্তু আবার বিশাল ইতিহাস রয়েছে। নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সাথে সাথে চলে যাচ্ছি পুরোনো আমলের ইতিহাস পর্যালোচনায়। গ্রেগরিয়ান আসলে একটি সৌর বছর, এর বর্তমান কাঠামোতে পৌঁছাতে সময় লেগেছে কয়েকশত বছর। নানা পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের ফল আজকের ইংরেজী ক্যালেন্ডার। ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ যে দিন থেকে বর্ষ গণনা করতে শিখলো সেদিন থেকে চাঁদের হিসাবেই শুরু হয় বর্ষ গণনা। সূর্যের হিসাবে বা সৌর গণনার হিসাব আসে অনেক পরে। সৌর এবং চন্দ্র গণনায় আবার পার্থক্য রয়েছে। সৌর গণনায় ঋতুর সঙ্গে সম্পর্ক থাকে, কিন্তু চন্দ্র গণনায় ঋতুর সাথে সম্পর্ক থাকে না। বর্ষ পঞ্জিকা তৈরীর বিষয়টি প্রথম লক্ষ্য করা গিয়েছিল সুমেরীয় সভ্যতায়, মিশরীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব নিকাশ ছিলো বেশ এগিয়ে। এই মিশরীয় সভ্যতাই পৃথিবীর প্রাচীনতম সৌর ক্যালেন্ডার আবিস্কার করে বলে ধারণা করা হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মিশরীয় সেই ক্যালেন্ডার নিয়ে করেছেন বিস্তর গবেষনা। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারা খ্রীষ্টপূর্ব ৪২৩৬ অব্দ থেকে ক্যালেন্ডার ব্যবহার শুরু করে। সভ্যতার সকল গুরুত্বপুর্ণ আবিস্কার এবং তা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে ইউরোপ, তাই ইউরোপকে বলা হয় শিল্প সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্গ। আর এ দিক দিয়ে এগিয়ে গ্রিক ও রুমানরা, রোমানরা আবার তাদের সর্ব প্রথম ক্যালেন্ডার লাভ করে গ্রীকদের কাছ থেকে। মজার একটি বিষয় হলো রোমানদের প্রাচীন ক্যালেন্ডারে মাস কিন্তু ১২টি ছিলো না, তাদের মাস ছিলো ১০টি, তাদের বছর ছিল ৩০৪ দিনে। আরও ব্যাপক মজার বিষয় ছিলো যে, শীতের দুই মাস তারা বর্ষ গণনার মধ্যেই আনতো না। রোমানরা কিন্তু মার্চ থেকে বর্ষ গণনা শুরু করতো, নববর্ষ উদযাপন করতো মার্চের এক তারিখ। তাদের বছর গণনায় ৬০ দিন বাদ যাওয়ায় তারা দিন, তারিখ তাদের ক্যালেন্ডারে ব্যবহারের কথা ভাবতো না। রোমের একজন বিখ্যাত সম্রাট ‘‘রামুলাস’’ তিনি ছিলেন রোমের প্রথম সম্রাট। তিনিই নাকি আনুমানিক ৭৩৮ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে রোমান ক্যালেন্ডার চালু করার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে ১০ মাসের সাথে আরও দু’টি মাস যোগ করেন রোমান সম্রাট ‘‘নোমা’’। আর এই মাস দুটি হলো জানুয়ারী ও ফেব্র“য়ারী এবং তিনিই জানুয়ারী মাসকে বছরের প্রথম মাস হিসাবে ঘোষণা দেন। জানুয়ারী মাস ২৯ দিনে এবং ফেব্র“য়ারী মাস ২৮ দিনে ধার্য্য করা হয়। মজার ব্যাপার হলো এই বারো মাসের বাহিরে তিনি অতিরিক্ত আরেকটি মাসের প্রবর্তন করেন আর সেই মাসটির নাম ছিলো ‘মারসিডানাস’। এই মাসটি আবার গণনা করা হতো ২২ দিনে এবং এ অতিরিক্ত মাসটি গণনা করা হতো এক বছর অন্তর ফেব্র“য়ারী মাসের ২৩ ও ২৪ তারিখের মাঝখানে। ‘‘নোমা’’ চালু করা মাসের হিসাব পরিবর্তন করা হয় খ্রীষ্টপূর্ব ৪৩২ অব্দে। আমরা এখন যে চার বছর পরপর লিপইয়ার উদযাপন করি তার প্রবর্তক কিন্তু এই রোমানরাই। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার রোমে চালু করেন নতুন ক্যালেন্ডার, তিনিই প্রথম মিশরীয় ক্যালেন্ডার রোমে নিয়ে আসেন, জ্যোতির্বিদদের পরামর্শে খ্রীষ্টপূর্ব ৪৬ অব্দে সেই বছরের নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসের মাঝখানে ৬৭ দিন এবং ফেব্র“য়ারী মাসের শেষে ২৩ দিন সহ মোট ৯০ দিন যুক্ত করে সংষ্কার করেন ক্যালেন্ডার। পরবর্তীতে এ ক্যালেন্ডার পরিচিত হয় জুলিয়ান ক্যালেন্ডার নামে। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে মার্চ, মে, কুইন্টিলিস ও অক্টোবর মাসের দিন সংখ্যা ৩১ এবং জানুয়ারী ও সেক্সটিনিস মাসের সঙ্গে ২ দিন যুক্ত করে ৩১ দিন করা হয় আর ফেব্র“য়ারী মাস গননা থাকে ২৮ দিনেই। আমরা যাকে এখন লিপইয়ার বলি সেই ফেব্র“য়ারী মাসে প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর যুক্ত করা হয় একদিন। পরবর্তীতে জুলিয়াস সিজারের নামানুসারে প্রাচীন কুইন্টিলিস মাসের নাম বদলিয়ে রাখা হয় জুলাই। আরেক বিখ্যাত রোমান সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস, তার নামানুসারে সেক্সটিনিস মাসের নাম পাল্টিয়ে করা হয় অগাষ্ট। ৩৬৫ দিনে সৌর বর্ষ গণনার কাজটা কিন্তু করতো মিশরীয়রা। কিন্তু জুলিয়াস সিজারের সংস্কারের ফলে তা এসে দাঁড়ায় তিনশত সাড়ে পয়ষট্টি দিনে। আমরা যে খ্রীষ্ট বছর বা খ্রীষ্টাব্দ বলি তার সূচনা হয় আরো পরে। হযরত ঈসা (আঃ) এর জন্মবছর থেকে গণনা করে ডাইওনিসিয়াম এক্সিগুয়াস নামক এক খ্রীষ্টান পাদরী ৫৩২ অব্দ থেকে সূচনা করেন খ্রীষ্টাব্দের। রোমের পোপ ত্রয়োদশ গেগরী জ্যোতির্বিদদের পরামর্শে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার সংশোধন করেন এবং তার নির্দেশে ১৫৮২ খ্রীষ্টাব্দের অক্টোবর মাস থেকে দেওয়া হয় ১০ দিন, এর ফলে ঐ বছরের ৫ তারিখকে করা হয় ১৫ তারিখ। পরে পোপ গ্রেগরি ঘোষণা করেন যেসব শতবর্ষীয় অব্দ ৪০০ দিয়ে বিভক্ত হবে সেসব শতবর্ষ লিপইয়ার হিসাবে গণ্য হবে। পোপ গ্রেগরী প্রবর্তিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার মোটামুটি একটি নিখুঁত হিসাবে আমাদের পৌছে দেয়। তারপর থেকে সমগ্র বিশ্বব্যাপী এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকে। আজ আমরা যে ক্যালেন্ডার দেখে ইংরেজী বর্ষ হিসাব করি এবং ইংরেজী নববর্ষ উদযাপন করি তা হলো গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ফসল। দলমত, জাতি গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকল মানুষের মনোবাসনা থাকে একটি সুষ্ট, সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা। এই মনোবাসনা শুধু কল্পনাতেই সীমাবদ্ধ থাকে, ডাল পালা কিংবা পাখা গঁজানোর কোন সুযোগ কখনই হয়না বললেই চলে। হিংসা হানাহানীর অতল গহ্বরে আজ নিমজ্জিত সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থার কল্পনা। শোষক শ্রেণীর লাগামহীন হীন মনোবাসনা মূলত সমাজের প্রতিটি পরতে পরতে বৈষম্যের অন্যতম কারণ, এই মনমানুষিকতার অধিকারী মানুষরাই হলো নর্দমার কীট। তাদের লাগামহীন চিন্তা চেতনার মূলে কুঠারাঘাত এনে সমাজ তথা দেশকে রক্ষা করাই হোক সকল সমাজ দরদী মানব দরদী মানুষের নববর্ষের শপথ। হিংস্র মন মানসিকতার অধিকারী মানুষেরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন সংখ্যায় কিন্তু তারা অতি নগন্য, সমাজ ও জাতিকে তাদের ছোবল থেকে রক্ষা করা অতীব প্রয়োজন। বিদায়ী বছরের সকল ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং সফলতা থেকে উৎসাহ যুগিয়ে নতুন উদ্যমে সমাজের জন্য আরও ভালো কিছু করার অঙ্গীকার হোক নববর্ষের অঙ্গীকার। ’মানুষ মরণশীল’ এই বাক্যটি চিরন্তন সত্য। তবে কিছু কিছু মৃত্যুকেও আবার আমরা অমর বলে সংঙ্গায়িত করে থাকি। যে সকল মৃত্যুকে আমরা অমর বলে সঙ্গায়িত করে থাকি সেই সকল মৃত্যুর ব্যাখ্যা হলো তারা ইহকাল ত্যাগ করেছেন সত্য, কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া আদর্শ যুগ যুগ ধরে মানুষকে সীমাহীন অনুপ্রেরনা দিয়ে যাচ্ছে, যে অনুপ্রেরনা তারা জীবিত থাকলে মানুষ পেত। তারা তাদের জীবদ্দশায় সমাজের জন্য দেশের জন্য এমন ভালো ভালো কাজ করে গেছেন যে কাজের ফলে তারা প্রেরনার উৎস হয়ে হাজার হাজার মানুষের অন্তরে বেঁচে আছেন এবং তারাই অমরত্ব লাভ করেছেন। অহংকার অহমিকা মানুষকে একেবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম। আবার সবার কাছে সমাদৃত হওয়ার আশা করাটাও হলো বোকামীর নামান্তর। আপনি সমাজের ভালো ভালো কাজ গুলো করে যান, ভালো কাজের স্বীকৃতি ভালো মানুষরাই দিবে। অহংকারের গড্ডালিকায় নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে সাময়িক সফলতা আসলেও দিনশেষে কালবৈশাখীর হিংস্র ছোবল আপনাকে অমানুষে রূপান্তরিত করে দিবে, এটাই প্রকৃতির বিধান। জনৈক ব্যক্তি কর্তৃক পারস্যের বিখ্যাত কবি সম্রাট শেখ সাদি (রহঃ) কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, আপনার জ্ঞানের পরিধি কতটুকু? উত্তরে তিনি বলেছিলেন সাগরে ভাসমান একটি পিপড়ার অস্তিত্ব যতটুকু। প্রশ্নকর্তা বিষ্ময়ে অবাক হয়ে কবি সম্রাটের পানে চেয়ে চেয়ে ভাবলেন তাবত বিশ্বের অন্যতম কবি ও জ্ঞানের আঁধার সেই লোকটি বলতেছেন এমন কথা, সাগরে ভাসমান একটি পিপড়ার অস্তিত্ব আর কতটুকু! এই কথা যদি আমরা হৃদয়ঙ্গম করতে পারি তাহলে আমাদের মাঝে আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবো। একজন প্রকৃত মানুষের মাঝে অহংকার অহমিকার কোন স্থান থাকতে পারে না। নতুন বছরের শুভ সুচনায় আমরা আমাদের বদ্ধমূল ধারনায় পরিবর্তন এনে পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত মানুষগুলোকে আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করে নতুন উদ্যমে শুরু হোক সবার পথচলা। ‘‘এমন জীবন তুমি করিবে গঠন, মরিলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন’’ বাক্যগুলির যথার্থ রূপদান করতে হলে সামাজিক অঙ্গন ভালো ভালো কাজের মধ্য দিয়ে পদচারনা মুখর করে তুলতে হবে। আর এই ভালো কাজগুলির প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে সুশিক্ষার বাস্তবায়ন। জাতি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হলে সমাজের ভালো কাজ গুলি এমনি এমনি হয়ে যেতে পারে। শিক্ষা হলো জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসের একটি ধারাবাহিক দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচী। শিক্ষা হলো একটি পরশ পাথর, যার ছোঁয়ায় মানুষ পাল্টে যায়, বদলে যায়, বদলে দেয়। শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মানুষের গভীর জীবন বোধ, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা। মানুষের বিবেক, নৈতিকথা ও মুল্যবোধের জাগরণ সৃষ্টি করা। শিক্ষা আপনার পারিবারিক অনুশাসন আদর্শিক মূল্যবোধের মাধ্যমে সুস্থ ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায়। শিক্ষা হলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রক্রিয়া। একারনেই বলা হয়ে থাকে ‘‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড’’। শিক্ষা বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে এক অন্যতম হাতিয়ার। সমাজ গঠন, সমাজের উন্নয়ন এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষাই হলো জাতীর অন্যতম পরাশক্তি। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সুশিক্ষায় ধর্মীয় মুল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐত্যিহের প্রতিফলন থাকতে হবে। সুশিক্ষার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক উদারতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে পারলে নিঃসন্দেহে দেশ ও জাতির ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির হিংস্র আগ্রাসন বিজাতীয়দের অনুকরণ, অনুসরণ আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশীয় সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনতে এবং টিকিয়ে রাখতে আমাদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করার কোন বিকল্প নেই। সুশিক্ষিত মানেই হলো স্বশিক্ষিত। বিজ্ঞজনেরা বলেন, যে শিক্ষা একটি শিশুর আত্মার খোরাক জোগায় সেটাই হলো সুশিক্ষা। আজ থেকে দুই হাজার পাঁচশত বছর আগে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দার্শনিক সক্রেটিস বলেছিলেন “শিক্ষা একজন ব্যক্তির মধ্যে নিহিত থাকা যুক্তিসিদ্ধ ভাবধারা গুলির যথার্থ বিকাশ সাধন করে”। তিনি এও বলেছিলেন ‘যে নিজেকে চিনতে পেরেছে তার কাছেই শিক্ষা ও জ্ঞানের দরজা খুলে গেছে’। শুধু মাত্র সুশিক্ষিত হলেই চলবে না. জাতি, সমাজকে কিছু দেওয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে। আপনার সুশিক্ষার আলোয় জাতিকে আলোকিত করতে হবে। শিক্ষা সাফল্যের স্বর্ণ দুয়ার খুলে দেয়, যে স্বর্ণ দুয়ার দিয়ে প্রবেশ করলে মানুষ তার যুগ সঞ্চিত জঞ্জাল দূর করে জ্ঞানী, প্রগতিশীল, সৃজনশীল, প্রতিশ্র“তিশীল ও পরোপকারী হওয়া যায়। শিক্ষা আলোকিত উজ্জ্বল ভবিষ্যতের বাহন, সমাজ তথা দেশের মানুষকে যুগপোযোগী শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা ছাড়া একজন মানুষ প্রকৃত অর্থে সঠিক ও সাম্যক ভাবে জ্ঞান লাভ করতে পারে না। শিক্ষা সাধারণ মানুষের দুঃখ, কষ্ট, অভাব, অনটন, আবেগ, আনন্দসহ বিভিন্ন বাস্তবধর্মী অবস্থার প্রতিফলন ঘটায়। ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে না পারলে মানুষ ও সামাজিক অবস্থার কোন পরিবর্তন আসবে না। জাতিকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই হোক আমাদের নতুন বছরের অঙ্গীকার। সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ-২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ।
লেখক -মোঃ জহিরুল ইসলাম
বি.এস.এস (অনার্স) এম.এস.এস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ফার্স্ট ক্লাস, এলএল.বি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
উপাধ্যক্ষ, শাহজালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ।

ই-মেইল : zahirsyl@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ