January 23, 2018

রাজনগরে ৩৫ জন কুষ্ট রোগি সনাক্ত

Untitled-1-copy-3রাজনগর প্রতিনিধি: রাজনগর উপজেলার চা বাগানের অত্যন্ত নিম্ন আয়ের চা-শ্রমিকেরা এখনও কুষ্টরোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ বছর উপজেলার ১৪টি চা বাগানের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ৩৫ জনের শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ দেখে কুষ্ট রোগী হিসেবে সনাক্ত করা হয়েছে। রোগটির ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে নিয়মিত তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। চা শ্রমিক পরিবাওে লোকজনদেও মধ্যে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে অসচেতনতার কারণেই এ ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলায় ২০১৬ সালে একজন রোগীকে সনাক্ত করে চিকিৎসা দেয়া শুরু করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ২০১৭ সালে আরো একজন আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছিল। চলতি বছরের আগষ্ট মাস পর্যন্ত রাজনগর চা-বাগান, করিমপুর, চানবাগ ও আমিনাবাদ চা-বাগানে জরিপ চালিয়ে বেসরকারী সংস্থা ‘লেপ্রা বাংলাদেশ’। এ ৪টি বাগান থেকেই ৩৫ জনের শরীরে কুষ্ঠরোগের লক্ষণ দেখতে পায়া। অন্য বাগানগুলোতে জরিপ চালালে আরো রোগী পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন কুষ্ঠ নির্মূলে দায়িত্ব প্রাপ্ত লেপ্রা বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।

১১ অক্টোবর বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে কুষ্ঠরোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে উপজেলার চিকিৎসাধীন রোগী ও  প্রাথমিক লক্ষণ থাকা রোগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে এক অনুষ্ঠান করে এনজিও সংস্থা লেপ্রা বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বর্ণালী দাশ, মেডিকেল অফিসার ডা. সম্পা রানী পাল, লেপ্রা বাংলাদেশের জেলা প্রজেক্ট অর্গানাইজার দিপঙ্কর ব্রক্ষচারী, উপজেলা টিএলসিএ হরিপদ দেব, সাবেক স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুনীল লাল বৈদ্য, রাজনগর প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ সংবাদ